গমের ব্লাস্ট রোগ

পূর্বের পাতা
হোম / দানা জাতীয় ফসল / গম

গমের ব্লাস্ট রোগ Blast of Wheat (Magnaporthe oryzae pathotype triticum)

  • লক্ষণঃ
  • এ রোগের জীবাণু গাছের উপরের সব অংশে আক্রমণ করতে পারে। তবে গমের শীষে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য লক্ষণ পরিলক্ষিত হয়ে থাকে।
  • প্রাথমিকভাবে গম ক্ষেতে প্যাঁচ আকারে শীষ সাদা হওয়া দেখা যায়, অনুকূল আবহাওয়ায় অতি দ্রুত তা সারা ক্ষেতে ছড়িয়ে পড়ে।
  • গমের শীষ বের হওয়া থেকে ফুল ফোটার সময়ে বৃষ্টিপাত হলে এবং এর পরপরেই তুলনামূলক গরম ও স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া বিরাজমান থাকলে এ রোগের আক্রমণ ঘটতে পারে।
  • শীষের আক্রান্ত স্থানে কালো দাগ পড়ে, আক্রান্ত স্থানের উপরের অংশ সাদা হয়ে যায় এবং শীষের গোড়ায় আক্রমণ হলে পুরো শীষ শুকিয়ে সাদা হয়ে যায়।
  • আক্রান্ত শীষের দানা অপুষ্ট হয় ও কুঁচকে যায় এবং দানা ধূসর বর্ণের হয়ে যায় ।
  • পাতায়ও এ রোগের আক্রমণ হতে পারে তবে এক্ষেত্রে পাতায় চোখের ন্যায় ধূসর বর্ণের ছোট ছোট পানি ভেজা দাগ পড়ে।
  • সমন্বিত দমন ব্যবস্থাপনাঃ
  • ব্লাস্টমুক্ত ক্ষেত থেকে গম বীজ সংগ্রহ করা।
  • উপযুক্ত সময়ে (১৫-৩০ নভেম্বর) বীজ বপন করা যাতে শীষ বের হওয়ার সময়ে বৃষ্টি ও উচ্চ তাপমাত্রা পরিহার করা যায়।
  • অপেক্ষাকৃত কম সংবেদনশীল জাত যেমন-বারি গম-৩০ ও বারি গম-৩৩ জাতের চাষ করা।
  • গমের ক্ষেত ও আইল আগাছামুক্ত রাখা।
  • কাডিম ৫০ ডব্লিউপি (২ গ্রাম/কেজি) দ্বারা বীজ শোধন করা।
  • ছত্রাকনাশক উপশম ৭৮ ডব্লিউপি ২০ গ্রাম অথবা প্লান্টার ৩২.৫ এসসি ১০ মিলি প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রতি ৫ শতাংশ জমিতে শীষ বের হওয়ার সময় একবার এবং তার ১২-১৫ দিন পর পর আরেকবার স্প্রে করা।

এই ফসলের অন্যান্য রোগসমূহ

সাদিক এগ্রোকেমিক্যালস কোঃ লিমিটেড