মধ্য বয়স থেকে শুরু করে বয়স্ক গাছে যে কোন সময় এরোগ দেখা যায়।
রোগের প্রাথমিক অবস্থায় পাতার উপর হালকা বাদামী বা শুকনা খড়ের রঙের ন্যায় সূঁচের অগ্রভাগ আকারের ছোট ছোট দাগ দেখা যায়।
দাগগুলো আকারে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং ৩ থেকে ৪ দিনের মধ্যেই সম্পূর্ণ পাতা আক্রান্ত হয়ে ঝরে পড়ে।
ধীরে ধীরে নতুন নতুন শাখার অগ্রভাগও আক্রান্ত হয় এবং শুকিয়ে মরে যায়।
আক্রমণের প্রকোপ বেশি হলে সমগ্র ফসলের মাঠে ঝলসানো মনে হয়। তবে ফলগুলি তখনও সবুজ থেকে যায়।
সমন্বিত দমন ব্যবস্থাপনাঃ
মসুরের রোগ প্রতিরোধ জাত বা উন্নত জাত বারি মসুর-৪ এর চাষ করা।
আক্রান্ত গাছ তুলে নষ্ট বা পুড়ে ফেলা।
সুষম সার ব্যবহার করা।
অতিরিক্ত সেচ পরিহার করা।
অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে মসুর বীজ বপন করা।
উপশম ৭৮ ডব্লিউপি ২ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে বা নিম পাতার রস স্প্রে করা।
মসুরে ফুল আসা শুরু করলেই প্রতিষেধক হিসেবে ছত্রাকনাশক প্লান্টার ৩২.৫ এসসি ২ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে ৭-১০ দিন অন্তর ২-৩ বার পাতায় স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। এ ছাড়া নাটিভো স্প্রে করলেও এ রোগের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।